গ্রীণ টি (Green Tea) একটি চমৎকার স্বাস্থ্যকর এবং উপকারী পানীয়। এটি ক্যামেলিয়া সিনেনসিস পাতা এবং কুঁড়ি অর্থাৎ চা গাছের পাতা এবং কুঁড়ি থেকে তৈরি করা হয়। এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অন্যান্য চা থেকে অনেক অনেক বেশি। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা ডিটক্স পানীয় হিসেবে নিয়মিত এটি পান করে থাকেন।
গ্রীণ টি’র আশ্চর্য স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন এবং নিয়মিত গ্রীণ টি পান করুনঃ-
গ্রিন টি’তে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা সব দিক থেকে শরীর চাঙা রাখে।
গ্রিন টি আমাদের শরীরকে সতেজ ও উৎফুল্ল রাখতে সাহায্য করে।
এটি হার্টের ব্লকেজের ঝুঁকি কমায় এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমায়।
গ্রীণ টি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করে।
এই চা আমাদের শরীরের ওজন ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
চীনের একদল গবেষক দেখিয়েছেন যে, সবুজ চায়ে বিদ্যমান রাসায়নিক পদার্থ মানুষের স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায় এবং পারিপার্শ্বিক বিষয়ের স্মৃতি ও তথ্য সংরক্ষণে মস্তিষ্ককে সাহায্য করে।
গ্রীণ টি ডায়বেটিস প্রতিরোধে দারুনভাবে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
গ্রিন টি’তে আছে ক্যাটাচিন নামক উপাদান, যা শরীরের বিভিন্ন উপকারে কাজ করে এবং পেটের মেদ কমাতেও ভূমিকা রাখে।
গ্রীণ টি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
গ্রীণ টি ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা যায়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুনভাবে কাজ করে।
যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা যায়, নিয়মিত গ্রিন টি সেবন করলে দাঁতের ক্ষয়রোগের ঝুঁকি কমে।
গ্রিন টিতে থাকা থিয়ানিন নামক অ্যামাইনো এসিড অবসাদ বা ডিপ্রেশন কমাতে ভূমিকা রাখে।
এটি হজমপ্রক্রিয়া ভালো করে। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়।
গ্রিন টি শরীরের ধমনী পরিষ্কার রাখে।
গ্রিন টি খাওয়ার উপযুক্ত সময় সকালের খাবার খাওয়ার ৪৫-৬০ মিনিট পর এবং ব্যায়াম করার ৩০-৪৫ মিনিট আগে বা পরে।